Dhaka ০১:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে দেশে ১ হাজার ৩৫ জন নারী ও কন্যাশিশু ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার

  • প্রকাশ : ১২:৩৯:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে দেশে ১ হাজার ৩৫ জন নারী ও কন্যাশিশু ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ২৫০ জন, যাদের মধ্যে ৬৫ জনই সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার। এছাড়া ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে ১৮ জনকে এবং ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছেন আরও ৫৩ জন।
শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মহিলা পরিষদের আনোয়ার বেগম-মুনিরা খান মিলনায়তনে ‘নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও’ শীর্ষক এক নাগরিক সংলাপে এসব উদ্বেগজনক তথ্য তুলে ধরা হয়।
সংলাপে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, “দেশে নারী ও শিশু সুরক্ষায় পর্যাপ্ত আইন রয়েছে; তবে সমস্যা মূলত আইনের প্রয়োগ এবং সামাজিক মানসিকতায়। এই সহিংসতা রোধে সরকার ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী সহিংসতা প্রতিরোধে স্থানীয় পর্যায়ে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করার এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে তাঁদের পুরস্কৃত করার সুপারিশ করেন। সাবেক বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ তাঁর বক্তব্যে বলেন, কেবল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ঘটনা নয়, বরং প্রতিটি নারী ও শিশু নির্যাতনের বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করা প্রয়োজন।

বক্তারা নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতে আইনি কাঠামোর সঠিক বাস্তবায়ন এবং অপরাধীদের দ্রুত বিচারের দাবি জানান।

Share!
ট্যাগ :
সম্পাদকঃ টি·এ·কে আজাদ।


জনপ্রিয় সংবাদ

স্বচ্ছ,গতিশীলও জনমুখী বিচার ব্যবস্থা হয়েছে :আইনমন্ত্রী

আগামী ১ জুলাই থেকে ৪০ লাখ ২০ হাজার পরিবারের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ বিতরণ নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন মন্ত্রী

চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে দেশে ১ হাজার ৩৫ জন নারী ও কন্যাশিশু ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার

প্রকাশ : ১২:৩৯:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে দেশে ১ হাজার ৩৫ জন নারী ও কন্যাশিশু ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ২৫০ জন, যাদের মধ্যে ৬৫ জনই সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার। এছাড়া ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে ১৮ জনকে এবং ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছেন আরও ৫৩ জন।
শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মহিলা পরিষদের আনোয়ার বেগম-মুনিরা খান মিলনায়তনে ‘নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও’ শীর্ষক এক নাগরিক সংলাপে এসব উদ্বেগজনক তথ্য তুলে ধরা হয়।
সংলাপে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, “দেশে নারী ও শিশু সুরক্ষায় পর্যাপ্ত আইন রয়েছে; তবে সমস্যা মূলত আইনের প্রয়োগ এবং সামাজিক মানসিকতায়। এই সহিংসতা রোধে সরকার ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী সহিংসতা প্রতিরোধে স্থানীয় পর্যায়ে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করার এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে তাঁদের পুরস্কৃত করার সুপারিশ করেন। সাবেক বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ তাঁর বক্তব্যে বলেন, কেবল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ঘটনা নয়, বরং প্রতিটি নারী ও শিশু নির্যাতনের বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করা প্রয়োজন।

বক্তারা নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতে আইনি কাঠামোর সঠিক বাস্তবায়ন এবং অপরাধীদের দ্রুত বিচারের দাবি জানান।

Share!