টি.এ.কে আজাদ: সরকারের ২৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা কর ফাঁকির অভিযোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব খান মোহাম্মদ বিলালসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের বিরুদ্ধে এলইডি বিলবোর্ড স্থাপন-সংক্রান্ত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে।
মঙ্গলবার ১৬ (সেপ্টেম্বর) দুদক প্রধান কার্যালয় থেকে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত হয়। কমিশনের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে থেকে জানা গেছে, সিটি করপোরেশনের জমিতে বিজ্ঞাপন ফলক বরাদ্দে প্রতি বর্গফুটে ২০ হাজার টাকা হারে রেট নির্ধারিত থাকলেও কৌশলে মাত্র ৮০০ টাকা হারে বরাদ্দ দেওয়া হয়। এভাবে দায়িত্বে অবহেলা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে রাজস্ব ক্ষতির সত্যতা পাওয়া গেছে।
মামলার বাকি আসামিরা হলেন ডিএসসিসির চাকরিচ্যুত সাবেক উপ-প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো. ইউসুফ আলী সরদার, টিসিএল অপটোইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আখতার হামিদ খান, বেস্টওয়ানের মালিক মোসা. মমতাজ বেগম, বৈশাখী ট্রেডার্সের মালিক মো. গাফ্ফার ইলাহী এবং জি-টেকের মালিক সুলতানা দিল আফরোজা।
আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা রুজুর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ডিসসিসির তিন কর্মকর্তার নামে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে দুদক।
তারা হলেন ডিএসসিসির উপ-কর কর্মকর্তা দেওয়ান আলীম আল রাজী, সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামান এবং রাজস্ব কর্মকর্তা, মো. নাসির উদ্দিন। দুদক আইন ২০০৪ এর ২৬(১) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।