নতুন প্রক্রিয়া অনুযায়ী, আবেদনকারীদের অনলাইনে ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করতে হবে। এ জন্য চায়নিজ ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সার্ভিস সেন্টারের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।
আবেদন জমা দেওয়ার পর প্রাথমিক পর্যালোচনার ফলাফল ওয়েবসাইটেই পাওয়া যাবে। যদি ফলাফলে ‘সংশোধন’ বা ‘পরিপূরক নথি’ সরবরাহের কথা উল্লেখ থাকে, তবে তা দ্রুত সংশোধন বা জমা দিয়ে পুনরায় আবেদন করতে হবে। এ ছাড়া যদি ‘ভিডিও সাক্ষাৎকারের সময়সূচি’ আসে, তবে আবেদনকারীকে নির্ধারিত তারিখে দূতাবাসে গিয়ে সাক্ষাৎকার দিতে হবে।
এ সময় বায়োমেট্রিক তথ্য (আঙুলের ছাপ) ও ভিসা ফি জমা দিতে হবে। তবে ১৪ বছরের কম বয়সী, ৭০ বছরের বেশি বয়সী, গত পাঁচ বছরে আঙুলের ছাপ দেওয়া আবেদনকারী বা শারীরিক কারণে যারা আঙুলের ছাপ দিতে অক্ষম—তাদের জন্য এই প্রক্রিয়া প্রযোজ্য হবে না। আবেদনকারীরা নির্ধারিত তারিখে ভিসা সংগ্রহ করতে পারবেন। সাধারণত নিয়মিত প্রক্রিয়ায় চার কর্মদিবসে ভিসা দেওয়া হয়, জরুরি প্রক্রিয়ায় তিন কর্মদিবসে ভিসা সংগ্রহ করা যায়।
দূতাবাস জানিয়েছে, যদি কোনো এজেন্সি ভিসা আবেদন করে এবং প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে তা প্রত্যাখ্যাত হয়, তবে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বা সংশোধন জমা দিতে হবে। প্রাথমিক অনুমোদনের পর দুই কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট জমা দিতে হবে। এরপর এক কর্মদিবসের মধ্যে ভিসা সরবরাহ করা হবে।



















