০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেঞ্চুরির পর স্ট্রোক, হাসপাতালে শুয়ে শুনল চ্যাম্পিয়নের খবর

  • প্রকাশ : ০১:১৩:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪
  • ১ বার পড়া হয়েছে
মুস্তাফিজুর রহমান শাহরিয়ার নিজেই বিস্মিত। আটে নেমে একজন সেঞ্চুরি করে বসবে, সেটা স্বপ্নেও ভাবেননি কদমতলা পূর্ব বাসাবো স্কুল অ্যান্ড কলেজ দলের প্রধান কোচ। মিরপুরে আজ স্কুল ক্রিকেটের ফাইনালে আগে ব্যাট করে ৪১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে বাসাবো। এরপর ১১৫ বলে ১৪৮ রানের ইনিংস খেলে দলকে পাহাড়সম পুঁজি এনে দেয় সিফাত শাহরিয়ার।

তবে দলের চ্যাম্পিয়ন উদযাপন, নিজের ম্যাচসেরা পুরস্কার হাতে নিতে পারেনি সিফাত। বোলিং করতে গিয়ে গরমের কারণে ‘স্ট্রোক’ করে সে। ডানহাতি এই পেসার মূলত বোলিং পরিচয়ে খেলে। তবে আজ পুরোদস্তুর ব্যাটার হয়ে যায়।

পঞ্চম বোলার হিসেবে প্রথমবার হাত ঘোরাতে এসে উল্টে পড়ে সিফাত। শেষ করতে পারেনি নিজের ওভার। তাকে দ্রুত মাঠের বাইরে নেওয়া হয়। তবে কিছুতেই চোখ খুলছিল না সে।
 

প্রধান কোচ মুস্তাফিজুর বলেন, ‘আমরা খুব চিন্তিত ছিলাম। চোখ খুলছিল না। এখন অবশ্য চোখ খুলেছে। এখনো হাসপাতালে আছে। সেখানে আমাদের কয়েকজন শিক্ষক ও সিফাতের বাবা-মা আছেন।

আশা করি দ্রুত সুস্থ হয়ে যাবে।’ গরমের কারণে এমন হয়েছে বলে জানালেন মুস্তাফিজ।সিফাতের ব্যাটিং নৈপুণ্যে ৯ উইকেটে ২৬৮ রান তোলে বাসাবো। লক্ষ্য তাড়ায় ৯৯ রানে গুটিয়ে যায় সরকারি কে.জি ইউনিয়ন স্কুল। ১৮৭ রানের বড় ব্যবধানে জয়ের খবর হাসপাতালে শুনেছে সিফাত।

Share!
ট্যাগ :
সম্পাদকঃ টি·এ·কে আজাদ।


জনপ্রিয় সংবাদ

স্বচ্ছ,গতিশীলও জনমুখী বিচার ব্যবস্থা হয়েছে :আইনমন্ত্রী

দেশের আন্তঃনগর ট্রেনে স্টারলিংক ইন্টারনেট চালুর উদ্যোগ, বাস-ফেরিতেও চালুর পরিকল্পনা

সেঞ্চুরির পর স্ট্রোক, হাসপাতালে শুয়ে শুনল চ্যাম্পিয়নের খবর

প্রকাশ : ০১:১৩:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪
মুস্তাফিজুর রহমান শাহরিয়ার নিজেই বিস্মিত। আটে নেমে একজন সেঞ্চুরি করে বসবে, সেটা স্বপ্নেও ভাবেননি কদমতলা পূর্ব বাসাবো স্কুল অ্যান্ড কলেজ দলের প্রধান কোচ। মিরপুরে আজ স্কুল ক্রিকেটের ফাইনালে আগে ব্যাট করে ৪১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে বাসাবো। এরপর ১১৫ বলে ১৪৮ রানের ইনিংস খেলে দলকে পাহাড়সম পুঁজি এনে দেয় সিফাত শাহরিয়ার।

তবে দলের চ্যাম্পিয়ন উদযাপন, নিজের ম্যাচসেরা পুরস্কার হাতে নিতে পারেনি সিফাত। বোলিং করতে গিয়ে গরমের কারণে ‘স্ট্রোক’ করে সে। ডানহাতি এই পেসার মূলত বোলিং পরিচয়ে খেলে। তবে আজ পুরোদস্তুর ব্যাটার হয়ে যায়।

পঞ্চম বোলার হিসেবে প্রথমবার হাত ঘোরাতে এসে উল্টে পড়ে সিফাত। শেষ করতে পারেনি নিজের ওভার। তাকে দ্রুত মাঠের বাইরে নেওয়া হয়। তবে কিছুতেই চোখ খুলছিল না সে।
 

প্রধান কোচ মুস্তাফিজুর বলেন, ‘আমরা খুব চিন্তিত ছিলাম। চোখ খুলছিল না। এখন অবশ্য চোখ খুলেছে। এখনো হাসপাতালে আছে। সেখানে আমাদের কয়েকজন শিক্ষক ও সিফাতের বাবা-মা আছেন।

আশা করি দ্রুত সুস্থ হয়ে যাবে।’ গরমের কারণে এমন হয়েছে বলে জানালেন মুস্তাফিজ।সিফাতের ব্যাটিং নৈপুণ্যে ৯ উইকেটে ২৬৮ রান তোলে বাসাবো। লক্ষ্য তাড়ায় ৯৯ রানে গুটিয়ে যায় সরকারি কে.জি ইউনিয়ন স্কুল। ১৮৭ রানের বড় ব্যবধানে জয়ের খবর হাসপাতালে শুনেছে সিফাত।

Share!