টি.এ.কে আজাদ: বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন খলঅভিনেতা শিবা শানু এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন চিত্রনায়ক জয় চৌধুরী। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর শিল্পীদের আস্থা ও ভালোবাসার মর্যাদা রেখে তাদের অধিকার ও কল্যাণে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারা।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সভাপতি পদে শিবা শানু ২৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফাইটার ও প্রযোজক আরমান পান ১৭৩ ভোট। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে জয় চৌধুরী ২৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী রুমানা ইসলাম পান ১৭৯ ভোট।
ফলাফল ঘোষণার পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নবনির্বাচিত সভাপতি শিবা শানু বলেন, ভোটারদের ভালোবাসা ও বিশ্বাস তার জন্য বড় দায়িত্ব হয়ে এসেছে।
তিনি বলেন, “যারা আমাকে ভোট দিয়ে জয়ী করেছেন, তারা আমার ওপর অনেক বিশ্বাস রেখেছেন। সেই বিশ্বাস ও ভালোবাসার মর্যাদা কীভাবে রাখতে পারি, সেটাই এখন আমার সবচেয়ে বড় চিন্তা।”
গলায় পরানো ফুলের মালার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই মালা এখনো আমার পরার সময় হয়নি। যেদিন শিল্পীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারব, সেদিনই তাদের কাছ থেকে এই সম্মান গ্রহণ করব।”
অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী বলেন, সবার সহযোগিতায় একটি কার্যকর ও ঐক্যবদ্ধ পরিষদ গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, “আমরা সুন্দর একটি পরিষদ গঠন করব। আমাদের সঙ্গে অনেক সিনিয়র শিল্পী রয়েছেন। সভাপতি প্রার্থী শিবা শানুর নেতৃত্বে আমরা যাত্রা শুরু করেছি। সুব্রত দা পুরো টিমকে সুসংগঠিত করেছেন, জ্যাকি ভাইও আমাদের পাশে ছিলেন। নির্বাচনী পথ সহজ ছিল না, তবে সবার সহযোগিতায় আমরা সফল হয়েছি।”
নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উভয়েই সাধারণ শিল্পীদের স্বার্থ রক্ষা, তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় এক মাস ধরে নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে এফডিসি প্রাঙ্গণে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় আরমান–রুমানা ইসলাম প্যানেল এবং শিবা শানু–জয় চৌধুরী প্যানেলের মধ্যে।



















