১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের ভয়াবহ খরার শিকার হচ্ছে তেত্রিশ কোটি মানুষ

  • প্রকাশ : ০৭:২১:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে
ভারতের ভয়াবহ খরার শিকার হচ্ছে তেত্রিশ কোটি মানুষ  ।অনেক রাজ্যে পানির জলাধার আর কুয়োগুলো শুকিয়ে গেছে।জরুরি তহবিল বরাদ্দ করে পরিস্থিতি সামলানেরা চেষ্টা করছে সরকার। তারই অংশ হিসাবে খরা পীড়িত জেলাগুলোতে খাবার পানির বিশেষ ট্রেন পাঠাচ্ছে সরকার। পরিস্থিতি সামলাতে প্রায় তিনশ কিলোমিটার দুরের এলাকা থেকে পানি নিয়ে আসছে বিশেষ ট্রেনগুলো।ভারতের পশ্চিমাঞ্চলের একটি খরা পীড়িত জেলায় একটি গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, গ্রামটির পানির একমাত্র উৎস কুপ। তার স্তর নেমে গেছে অনেক নীচে। দুইবছর ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় এই এলাকার লাখ লাখ বাসিন্দা পানির তীব্র সংকটে পড়ে গেছে।  শুধু মানুষ নয়, পশু-প্রাণীরাও পানি সংকটে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।প্রচণ্ড তাপ আর খরা থেকে বাচাতে সরকারি ব্যবস্থাপনায় বেশকিছু খামার তৈরি করা হয়েছে, যেখানে কৃষকরা তাদের পশু প্রাণীগুলো নিয়ে আসতে শুরু করেছেন। হাজার হাজার পরিবার তাদের গ্রামের ঘরবাড়ি ফেলে শহরে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে।সরকারিভাবে পরিশোধন করার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে প্রতি চারদিনে একবার করে পানির বিশেষ ট্রেন আসবে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, অন্তত আরো দু’মাস এ চলবে।
Share!
ট্যাগ :
সম্পাদকঃ টি·এ·কে আজাদ।


জনপ্রিয় সংবাদ

স্বচ্ছ,গতিশীলও জনমুখী বিচার ব্যবস্থা হয়েছে :আইনমন্ত্রী

দেশের আন্তঃনগর ট্রেনে স্টারলিংক ইন্টারনেট চালুর উদ্যোগ, বাস-ফেরিতেও চালুর পরিকল্পনা

ভারতের ভয়াবহ খরার শিকার হচ্ছে তেত্রিশ কোটি মানুষ

প্রকাশ : ০৭:২১:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৬
ভারতের ভয়াবহ খরার শিকার হচ্ছে তেত্রিশ কোটি মানুষ  ।অনেক রাজ্যে পানির জলাধার আর কুয়োগুলো শুকিয়ে গেছে।জরুরি তহবিল বরাদ্দ করে পরিস্থিতি সামলানেরা চেষ্টা করছে সরকার। তারই অংশ হিসাবে খরা পীড়িত জেলাগুলোতে খাবার পানির বিশেষ ট্রেন পাঠাচ্ছে সরকার। পরিস্থিতি সামলাতে প্রায় তিনশ কিলোমিটার দুরের এলাকা থেকে পানি নিয়ে আসছে বিশেষ ট্রেনগুলো।ভারতের পশ্চিমাঞ্চলের একটি খরা পীড়িত জেলায় একটি গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, গ্রামটির পানির একমাত্র উৎস কুপ। তার স্তর নেমে গেছে অনেক নীচে। দুইবছর ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় এই এলাকার লাখ লাখ বাসিন্দা পানির তীব্র সংকটে পড়ে গেছে।  শুধু মানুষ নয়, পশু-প্রাণীরাও পানি সংকটে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।প্রচণ্ড তাপ আর খরা থেকে বাচাতে সরকারি ব্যবস্থাপনায় বেশকিছু খামার তৈরি করা হয়েছে, যেখানে কৃষকরা তাদের পশু প্রাণীগুলো নিয়ে আসতে শুরু করেছেন। হাজার হাজার পরিবার তাদের গ্রামের ঘরবাড়ি ফেলে শহরে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে।সরকারিভাবে পরিশোধন করার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে প্রতি চারদিনে একবার করে পানির বিশেষ ট্রেন আসবে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, অন্তত আরো দু’মাস এ চলবে।
Share!