০২:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দীর্ঘ ১৯ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

  • প্রকাশ : ০১:৫৯:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

মোঃ জিল্লুর রহমান:   হবিগঞ্জের মনতলায় ট্রেন দুর্ঘটনার ১৯ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের ট্রেন যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। পরে সিলেট গামী পারাবত একপ্রেস ট্রেনটি দুর্ঘটনা কবলিত স্থান অতিক্রম করেন।

 এদিকে দুর্ঘটনা কারণে ঢাকা-সিলেট এবং চট্টগ্রাম-সিলেট রেল পথে চলাচলকারী একাধিক যাত্রীবাহী ট্রেন বিভিন্ন স্টেশন আটকা পড়ে।দুর্ভান্তের পর বিকেল চারটার পর থেকে যাত্রীরা নিজ নিজ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।
এর আগে চট্টগ্রাম থেকে একটি জ্বালানী ডিজেলবাহী ট্রেন মোট ১৬টি বগি নিয়ে সিলেটের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা নামক স্থানে তেলবাহী ট্রেনটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে পাঁচটি ওয়েল ট্যাংকারের বগি রেল লাইন থেকে ছিটকে পরে। এসময় একটি ওয়েল ট্যাংকার রেল সেতু থেকে ছিটকে খালে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার কারণে প্রায় ৫০০ মিটার রেললাইন দুমরে মুচরে যায়। এদিকে দুর্ঘটনার পর পর তেলবাহি ট্যাংকারা গুলো থেকে ডিজেল নির্গত হতে থাকে। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তেল সংগ্রহ করার জন্য হুমরি খেয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ, বিজিবি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সদস্যরাও ঘটনাস্থলে ছুটে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এদিকে দুর্ঘটনার পর এদিকে দুর্ঘটনা তদন্তে, রেলওয়ে পরিবহন কর্মকর্তা মেহেদী হাসানকে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া, হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জোড়া ম্যাজিস্ট্রেট কে প্রধান করে ৫ সদস্যের আরেকটি কমিটি গঠিত হয়েছে। পাঁচ কার্য দিবসের মধ্যে জেলা প্রশাসকের বরাবর প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। মাধবপুর
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ বিন কাসেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
 
Share!
ট্যাগ :
সম্পাদকঃ টি·এ·কে আজাদ।


জনপ্রিয় সংবাদ

স্বচ্ছ,গতিশীলও জনমুখী বিচার ব্যবস্থা হয়েছে :আইনমন্ত্রী

দেশের আন্তঃনগর ট্রেনে স্টারলিংক ইন্টারনেট চালুর উদ্যোগ, বাস-ফেরিতেও চালুর পরিকল্পনা

দীর্ঘ ১৯ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

প্রকাশ : ০১:৫৯:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

মোঃ জিল্লুর রহমান:   হবিগঞ্জের মনতলায় ট্রেন দুর্ঘটনার ১৯ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের ট্রেন যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। পরে সিলেট গামী পারাবত একপ্রেস ট্রেনটি দুর্ঘটনা কবলিত স্থান অতিক্রম করেন।

 এদিকে দুর্ঘটনা কারণে ঢাকা-সিলেট এবং চট্টগ্রাম-সিলেট রেল পথে চলাচলকারী একাধিক যাত্রীবাহী ট্রেন বিভিন্ন স্টেশন আটকা পড়ে।দুর্ভান্তের পর বিকেল চারটার পর থেকে যাত্রীরা নিজ নিজ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।
এর আগে চট্টগ্রাম থেকে একটি জ্বালানী ডিজেলবাহী ট্রেন মোট ১৬টি বগি নিয়ে সিলেটের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা নামক স্থানে তেলবাহী ট্রেনটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে পাঁচটি ওয়েল ট্যাংকারের বগি রেল লাইন থেকে ছিটকে পরে। এসময় একটি ওয়েল ট্যাংকার রেল সেতু থেকে ছিটকে খালে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার কারণে প্রায় ৫০০ মিটার রেললাইন দুমরে মুচরে যায়। এদিকে দুর্ঘটনার পর পর তেলবাহি ট্যাংকারা গুলো থেকে ডিজেল নির্গত হতে থাকে। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তেল সংগ্রহ করার জন্য হুমরি খেয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ, বিজিবি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সদস্যরাও ঘটনাস্থলে ছুটে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এদিকে দুর্ঘটনার পর এদিকে দুর্ঘটনা তদন্তে, রেলওয়ে পরিবহন কর্মকর্তা মেহেদী হাসানকে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া, হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জোড়া ম্যাজিস্ট্রেট কে প্রধান করে ৫ সদস্যের আরেকটি কমিটি গঠিত হয়েছে। পাঁচ কার্য দিবসের মধ্যে জেলা প্রশাসকের বরাবর প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। মাধবপুর
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ বিন কাসেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
 
Share!