সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যাত্রীদের ভোগান্তি নিরসন এবং যানজটমুক্ত সড়ক নিশ্চিত করতে ডিএসসিসির পক্ষ থেকে টার্মিনাল ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সমন্বিত এ সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা সড়ক পরিবহন বাস মালিক সমিতি, সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল পরিবহন মালিক সমিতি ও সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল পরিবহন শ্রমিক কমিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালসহ এর আশপাশের এলাকার যানজট নিরসনে গৃহীত উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ ও সিদ্ধান্তসমূহ—
নিয়মতান্ত্রিক কাউন্টার বরাদ্দ : টার্মিনাল অভ্যন্তরে প্রকৃত বাস কম্পানিগুলোর অনুকূলে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আলোকে টিকিট কাউন্টার বরাদ্দ দেওয়া হবে। বাস মালিক সমিতি, ডিএসসিসি ও পুলিশের ট্র্যাফিক সমন্বিতভাবে কাউন্টার বরাদ্দে কাজ করবে।
টার্মিনাল ও বাস-বে ব্যবহার নিশ্চিতকরণ : বাসগুলোকে ডিপো হিসেবে টার্মিনাল ব্যবহার না করে নির্ধারিত ৫টি বাস-বে ব্যবহার করতে হবে। যাত্রী উঠানোর জন্য বাসগুলো মাত্র ২০ থেকে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে পারবে।
অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধ : ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সমাগম বৃদ্ধির সুযোগে কোনো পরিবহন যাতে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা আদায় করতে না পারে, সে বিষয়ে পরিবহন মালিক সমিতিকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘ঈদ যাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে ও দীর্ঘমেয়াদি যানজট নিরসনে সিটি করপোরেশন, পুলিশ, বাস মালিক ও শ্রমিকরা আমরা একসঙ্গে কাজ করব। যাত্রীদের স্বস্তি দেওয়ার জন্য সমন্বিত সিদ্ধান্তসমূহ যেকোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করা হবে।’
এ ছাড়া নতুন ডিএসসিসি প্রশাসকের সভাপতিত্বে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন পরিচালনা কমিটির দ্বাদশ কর্পোরেশন সভা আজ বিকেলে নগর ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বোর্ড সভার সদস্যবৃন্দ প্রশাসককে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি’ বাস্তবায়নে প্রশাসক দৃঢ় ভূমিকা পালন করবেন।




















