শেখ জাহিদ বিন আজিমঃ- ৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শরীফ আল রাজীব।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- গোয়ালন্দ উপজেলার দেওয়ান পাড়া গ্রামের আফজাল সরদারের ছেলে মো. শাফিন সরদার (১৮), উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের ১নং দিরাস্তুল্লাহ মৃধা পাড়ার মৃত আক্কাস মৃধার ছেলে ও উজানচর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি মো. মাসুদ মৃধা (২৯), উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের লাল মিয়া মৃধার ছেলে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হিরু মৃধা (৪০),দেওয়ান পাড়া গ্রামের মো. জহির উদ্দিনের ছেলে এনামুল হক জনি (৩২), গোয়ালন্দ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাজীপাড়া গ্রামের কাজি আরিফের ছেলে কাজী অপু (২৫), গোয়ালন্দ উপজেলার দিরাজতূল্লাহ মৃধা ডাঙ্গী গ্রামের মৃত মকলেছুর রহমান মৃধার ছেলে মো. হায়াত আলী মৃধা (২৯), গোয়ালন্দ উপজেলার ১নং বেপারীপাড়া গ্রামের মো. আইয়ুব আলী গাজীর ছেলে মো. আলমগীর গাজী (৪৫), নজর উদ্দিন সরদার পাড়া এলাকার ইসাহাক সরদারের ছেলে মো. সোহান সরদার (৩৩),২নং ওয়ার্ড দেওয়ান পাড়া এলাকার নেকবার আলী শেখের ছেলে রিয়াজ হোসেন রিতান্ত (২১),গোয়ালন্দের নতুন পাড়া (মাল্লাপট্টি) এলাকার মো. শওকত সরদারের ছেলে মো. জীবন সরদার (২২), পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড জুড়ান মোল্লা পাড়া গ্রামের আ. মালেক ফকিরের ছেলে সাগর ফকির (২১), মাল্লাপট্টী শাকের ফকির পাড়া এলাকার হেলাল উদ্দিনের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম শুভ (১৭),ফরিদপুর জেলার কোতোয়ালি থানার ডিগ্রীরচর বারখাদা গ্রামের মো. নিজাম উদ্দিন সরদারের ছেলে মোহাম্মদ ফেরদৌস সরদার (৩৬), গোয়ালন্দ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের আদর্শ গ্রামের ছালামের ছেলে মো. বিপ্লব ওরফে বিল্লু (২৮), ফরিদপুর জেলার কোতোয়ালি থানার ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের হাজী গনি শিকদার পাড়া এলাকার মো. মজিবর শেখের ছেলে আসলাম শেখ (২৮) ও গোয়ালন্দ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কাজী পাড়া এলাকার মৃত জয়নাল শেখের ছেলে শহিদুল ইসলাম ওরফে বুদ্দু (৪৫)।
রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) মো. শরীফ আল রাজীব বলেন, পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় অজ্ঞাত ৩৫০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে শনিবার (৬ আগস্ট) ৪ জনকে, রোববার (৭আগস্ট) ৬ জনকে, সোমবার (৮ আগস্ট) ৫ জনকে এবং আজ মঙ্গলবার ১ জন সহ মোট ১৬ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। এর মধ্যে ২ জন ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পর রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে নুরাল পাগলের দরবারে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালায় বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় নুরাল পাগলের ভক্তদের সঙ্গে সংঘর্ষে একজন নিহত এবং দুই পক্ষের শতাধিক মানুষ আহত হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয় ও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এতে ১০ থেকে ১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে নুরাল পাগলের মরদেহ কবর থেকে তুলে পুড়িয়ে দেয় হামলাকারীরা।


























