শেখ জাহিদ বিন আজিমঃ- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজবাড়ী-২ (পাংশা-বালিয়াকান্দি-কালুখালী) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন-অর-রশিদ (৫০)। গত ৩ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার।
হলফনামায় তিনি ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় দেখিয়েছেন ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তার হাতে নগদ টাকা রয়েছে ৩০ লাখ ১৩ হাজার ৩৩ টাকা। তার স্ত্রী মিসেস সেলিনা ইয়াসমিনের নামে নগদ অর্থ রয়েছে ২৩ লাখ ৩৪ হাজার ২৭০ টাকা। হারুনের বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার কেনা রয়েছে ৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকার। হলফনামায় হারুনের নামে স্বর্ণ রয়েছে ১৫ তোলা যার মূল্য দেখিয়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ২৫ তোলা স্বর্ণ। হলফনামায় যার কোনো মূল্য দেখানো হয়নি।
স্থাবর সম্পদের মধ্যে হারুনের নিজ নামে কোনো কৃষি জমি নেই। তবে অকৃষি জমি রয়েছে ২৭.৫০ শতাংশ, যার মূল্য হলফনামায় দেখিয়েছে ১৩ হাজার ৮০০ টাকা। হলফনামায় হারুন তার দায়ের পরিমাণ দেখিয়েছেন ৬৫ লাখ ৩৭ হাজার ৭৯১ টাকা।
বর্তমানে হারুনের বিরুদ্ধে রাজবাড়ী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এন আই অ্যাক্টে মামলা রয়েছে। যা হাইকোর্টের আদেশে স্থগিত রয়েছে। একই আইনে বগুড়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। ইতিপূর্বে তিনি রাজবাড়ী আদালতের আরও দুটি মামলার একটি থেকে অব্যাহতি এবং আরেকটি থেকে খালাস পেয়েছেন।
২০২৫-২০২৬ সালের সর্বশেষ আয়কর রিটার্ন জমার তথ্য অনুযায়ী বিএনপি প্রার্থী হারুনের বার্ষিক আয় ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তার মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ২৫ লাখ ৫৯ হজার ৮১৫ টাকা। এর বিপরীতে তিনি আয়কর দিয়েছেন ৫ হাজার টাকা।
এ ছাড়া, হারুনের স্ত্রী মিসেস সেলিনা ইয়াসমিনের ২০২৫-২০২৬ সালের সর্বশেষ আয়কর রিটার্ন জমার তথ্য অনুযায়ী তার বার্ষিক আয় শূন্য। আয়করের তথ্য অনুযায়ী তার সম্পদের পরিমাণ ২৭ লাখ ২৯ হাজার ২৭০ টাকা। এর বিপরীতে তিনি কোনো আয়কর দেননি।




















