বাগমারা (রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ সারা দেশের ন্যায় ২৮ সেপ্টেম্বর, রবিবার, ষষ্ঠী তিথির মধ্য দিয়ে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ঝিকরা ইউনিয়নের ঝাড়গ্রাম সার্বজনীন দুর্গপুজা ও কালি মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। বাগমারা উপজেলার ৮২টি মন্দিরের পূজা মণ্ডপে এবার পূজার আয়োজন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রতিটি পূজামণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হয়েছে এবং পূজা উপলক্ষে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।
রবিবার (২৮ শে সেপ্টেম্বর ২০২৫) ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শেষ হবে পাঁচদিনব্যাপী এই উৎসব। পূজা উপলক্ষে মণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এ তথ্য নিশ্চিত করেন বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ তৌহিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, বাগমারা উপজেলার ৮২ টি মন্দির) পূজা উদযাপন করা হবে এবং সবগুলো মন্দিরে আমরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছি। আশা করি কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারবে না।
বাগমারা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের এক নেতা জানান, এই বছর প্রতিটি পূজামণ্ডপে ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পূজা উদযাপন হবে। প্রশাসন ও স্থানীয়দের সার্বিক সহযোগিতা রয়েছে।
উপজেলার ঝিকরা ইউনিয়নে রনশিবাড়ি বুড়ি মাতা মন্দির,বারুইপাড়া পূজা মন্দির, ঝাড়গ্রাম সার্বজনীন কালি ও দুর্গাপূজা মন্দির সহ- সারা বাংলাদেশের ন্যায় বাগমারা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পূজামণ্ডপগুলোতে লাইটিং, সাউন্ড ও রঙিন সাজসজ্জায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। শিশু-কিশোর, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল বয়সী মানুষের মধ্যে বইছে আনন্দের ঢেউ।
স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে, যাতে করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। ঝাড়গ্রাম সার্বজনীন দুর্গপুজা মন্দি পূজা উৎযাপন কমির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, কমিটি পক্ষ থেকে শুভ শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বাগমারা বাসীকে জানানো হয়েছে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।




















