গতকাল বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) যৌথভাবে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের বন্ড ও সুকুক বাজার উন্মোচন : রাজস্ব স্থিতি, অবকাঠামো বাস্তবায়ন ও ইসলামি মানি মার্কেট উন্নয়ন’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
গভর্নর বলেন, বাংলাদেশের আর্থিক কাঠামো বৈশ্বিক অর্থনীতির তুলনায় অনেক ভিন্ন। এক অর্থে এটি উল্টো ধরনের। কারণ বাংলাদেশে আমরা ব্যাংক নির্ভর। বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা মূলত বন্ড নির্ভর।
আমাদের ব্যাংক নির্ভর করপোরেট সংস্কৃতি থেকে সরে আসতে হবে। করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাংকমুখী। তারা বন্ড ইস্যু করতে চায় না, বরং ব্যাংকের দ্বারস্থ হয়। কেন, জানি না? হয়তো ঋণ পরিশোধ না করার সুযোগ আছে।
গভর্নর বলেন, এখন পর্যন্ত মাত্র ছয়টি ইস্যু হয়েছে, প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকার মতো। অথচ আমাদের অনেক প্রকল্প আছে যেগুলো থেকে আয় হচ্ছে। সেই সম্পদগুলোকে সিকিউরিটাইজ করলে দ্রুত সুকুক বাজার বড় করা সম্ভব। যেমন- যমুনা সেতু থেকে টোল আদায়ের প্রবাহকে ব্যবহার করে নতুন সেতু নির্মাণে বন্ড ইস্যু করা যেতে পারে। একইভাবে মেট্রোরেল, ফ্লাইওভার, এসব প্রকল্প থেকেও আয়কে সিকিউরিটাইজ করে নতুন প্রকল্পে বিনিয়োগের অর্থ জোগাড় করা সম্ভব।


















