Dhaka ০৭:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীনের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পণ্যের রফতানি বৃদ্ধি

  • প্রকাশ : ১২:৩৭:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অক্টোবর ২০১৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

চীনের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পণ্যের রফতানি ২৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। আশা করা হচ্ছে, অল্প কিছু দিনের মধ্যে বাংলাদেশের রফতানি এক বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে। বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য স্পেশাল ইকনোমিক জোনে চীনের জন্য বরাদ্দ রয়েছে। চীন তৈরী পোশাক শিল্প রিলোকেশন করছে, বাংলাদেশের স্পেশাল ইকনোমিক জোন এর উপযুক্ত স্থান হতে পারে। চীনের বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ সবধরনের সহযোগিতা করবে।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ রফতানি বৃদ্ধি করতে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। চলতি ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় রফতানি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং রফতানি পণ্যসংখ্যা বৃদ্ধির বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নতুন নতুন পণ্য রফতানিতে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। দেশের রফতানি বেড়েই চলছে।বাণিজ্যমন্ত্রী রোববার ঢাকায় সিরডাপ মিলনায়তনে ইকনোমিক রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।তোফায়েল আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার সকল দেশের সাথে সুসম্পর্কের  নীতি মেনে চলছে। রাজনৈতিক দুরদর্শীতা ও দক্ষতার সাথে দেশ পরিচালনার কারণে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। চীন বাংলাদেশের বড় বাণিজ্যিক বন্ধু। দু’দেশের বর্তমান বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ বর্তমানে প্রায় এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য চীনে রফতানি করছে। চীনে রফতানি ধারা অব্যাহত থাকলে এ বাণিজ্য ব্যবধান কমে আসবে। জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ইতালির মত চীনও বর্তমানে প্রায় পাঁচশত পণ্যের ওপর ডিউটি ফ্রি সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশকে।বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চীন বাংলাদেশের বড় উন্নয়ন সহযোগি। পদ্মা সেতু, কর্ণফুলি টানেল, গার্মেন্টস পল্লীসহ অনেক বড় বড় প্রকল্পে চীন আর্থিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।  চীনের প্রেসিডেন্টর আসন্ন বাংলাদেশ সফরে বেশ কিছু এমওইউ স্বাক্ষরিত হবে এবং বেশ কিছু প্রকল্পের উদ্বোধন করা হবে। বাংলাদেশ সতর্কতার সাথে এগিয়ে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এডিশনাল রিসার্স ডিরেক্টর ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাবেক শিল্পমন্ত্রী দ্বিলীপ বড়ুয়া, বিএনপি নেতা এবং সাবেক সেনা প্রধান মাহবুবুর রহমান, বিএফইউজের প্রেসিডেন্ট মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, পিআরআই’র ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. সাদেক আহমেদ এবং সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সী ফয়েজ আহমেদ।

Share!
ট্যাগ :
সম্পাদকঃ টি·এ·কে আজাদ।


জনপ্রিয় সংবাদ

স্বচ্ছ,গতিশীলও জনমুখী বিচার ব্যবস্থা হয়েছে :আইনমন্ত্রী

বাগমারায় আদম ব্যবসায়ীর খপ্পরে সর্বশান্ত তিনটি পরিবার

চীনের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পণ্যের রফতানি বৃদ্ধি

প্রকাশ : ১২:৩৭:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অক্টোবর ২০১৬

চীনের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পণ্যের রফতানি ২৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। আশা করা হচ্ছে, অল্প কিছু দিনের মধ্যে বাংলাদেশের রফতানি এক বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে। বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য স্পেশাল ইকনোমিক জোনে চীনের জন্য বরাদ্দ রয়েছে। চীন তৈরী পোশাক শিল্প রিলোকেশন করছে, বাংলাদেশের স্পেশাল ইকনোমিক জোন এর উপযুক্ত স্থান হতে পারে। চীনের বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ সবধরনের সহযোগিতা করবে।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ রফতানি বৃদ্ধি করতে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। চলতি ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় রফতানি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং রফতানি পণ্যসংখ্যা বৃদ্ধির বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নতুন নতুন পণ্য রফতানিতে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। দেশের রফতানি বেড়েই চলছে।বাণিজ্যমন্ত্রী রোববার ঢাকায় সিরডাপ মিলনায়তনে ইকনোমিক রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।তোফায়েল আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার সকল দেশের সাথে সুসম্পর্কের  নীতি মেনে চলছে। রাজনৈতিক দুরদর্শীতা ও দক্ষতার সাথে দেশ পরিচালনার কারণে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। চীন বাংলাদেশের বড় বাণিজ্যিক বন্ধু। দু’দেশের বর্তমান বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ বর্তমানে প্রায় এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য চীনে রফতানি করছে। চীনে রফতানি ধারা অব্যাহত থাকলে এ বাণিজ্য ব্যবধান কমে আসবে। জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ইতালির মত চীনও বর্তমানে প্রায় পাঁচশত পণ্যের ওপর ডিউটি ফ্রি সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশকে।বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চীন বাংলাদেশের বড় উন্নয়ন সহযোগি। পদ্মা সেতু, কর্ণফুলি টানেল, গার্মেন্টস পল্লীসহ অনেক বড় বড় প্রকল্পে চীন আর্থিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।  চীনের প্রেসিডেন্টর আসন্ন বাংলাদেশ সফরে বেশ কিছু এমওইউ স্বাক্ষরিত হবে এবং বেশ কিছু প্রকল্পের উদ্বোধন করা হবে। বাংলাদেশ সতর্কতার সাথে এগিয়ে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এডিশনাল রিসার্স ডিরেক্টর ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাবেক শিল্পমন্ত্রী দ্বিলীপ বড়ুয়া, বিএনপি নেতা এবং সাবেক সেনা প্রধান মাহবুবুর রহমান, বিএফইউজের প্রেসিডেন্ট মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, পিআরআই’র ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. সাদেক আহমেদ এবং সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সী ফয়েজ আহমেদ।

Share!