বাংলাদেশের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশ ভারতে মাদকসহ নানা পণ্য পাচারের জন্য আন্তর্জাতিক চোরাচালানি চক্র দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রামকে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করছে ।
এর মধ্যে স্বর্ণের বার,ভারতীয় জাল রুপি যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে কোকেনের মতো ব্যয়বহুল মাদক দ্রব্য। তার সাথে সাম্প্রতিক সময়ে যুক্ত হয়েছে আমদানি নিষিদ্ধ সিগারেট। শুল্ক গোয়েন্দা থেকে শুরু করে পুলিশ,সবাই অকপটে স্বীকার করছে এর সত্যতা।
ভৌগলিক কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় দেশের প্রধান বন্দর চট্টগ্রামের গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশের সাথে ভারত এবং মিয়ানমারের সীমান্ত থাকায় দেশীয় চোরাচালান চক্রের নজর সব সময় এ বন্দরের ওপর।
তার সাথে এখন যুক্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক চোরাচালানি চক্র। গত বছরের জুনে কোকেনের বিশাল চালান ধরা পড়ার পর আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এরপর স্বর্ণের বার, ভারতীয় রুপি এবং সবশেষ আসে আমদানি নিষিদ্ধ সিগারেট।
সম্প্রতি পুলিশের অনুসন্ধানে বের হয়ে এসেছে চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের নজর পড়ার বিষয়টি।
সিএমপির উপ পুলিশ কমিশনার (বন্দর) হারুনুর রশীদ হাযারী বলেন, চোরাচালানকারীরা বাংলাদেশকে রুট হিসেবে ব্যবহার করছে।
আইনের বাধ্যবাধকতার কারণে চোরাচালান রোধে বন্দর কর্তৃপক্ষ তেমন ভূমিকা রাখতে পারে না। এক্ষেত্রে মূল দায়িত্ব শুল্ক গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষের কাঁধে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (পরিকল্পনা ও প্রশাসন) মোহাম্মদ জাফর আলম বলেন, ‘বিশ্বের কোন বন্দরই ভিতরের কনটেন্টের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নয়। তবে কেউ যদি উদ্দেশ্যমূলকভাবে এগুলো খুলে যদি কিছু করে তবে সে ব্যাপারে আমরা খুবই্ সচেতন।’
চট্টগ্রাম বন্দরে ভারতীয় রুপি আটকের মামলা সি আই ডি, কোকেন চালান আটকের মামলা আদালতের নির্দেশে র্যাব এবং আমদানি নিষিদ্ধ সিগারেট আটকের মামলা বন্দর থানা পুলিশ তদন্ত করছে।


















