Dhaka ০৭:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৃত্যুদণ্ড বিলুপ্ত করতে বাংলাদেশের প্রতি জাতিসংঘের আহ্বান

  • প্রকাশ : ০৬:৩৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৫
  • ০ বার পড়া হয়েছে

জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারের মুখপাত্র রাভিনা শামদাসিনি মৃত্যুদণ্ডকে একটি অমানবিক চর্চা হিসেবে অভিহিত করে তা বিলুপ্ত করার জন্য বাংলাদেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।তিনি গতকাল এক বিবৃতিতে বলেন, রোববার সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার মাধ্যমে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেয়া দণ্ডে এ পর্যন্ত মোট চারজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হল।মুখপাত্র বলেন, ২০১০ সালে গঠনের পর থেকে ট্রাইব্যুনাল এ পর্যন্ত ১৭টি রায় দিয়েছে যার ১৫টিতে জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল পার্টির নেতাদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। তাদের সবার বিরুদ্ধেই ১৯৭১ সালে মানবতাবিরোধী, গণহত্যা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ট্রাইব্যুনালে বিচারের সুষ্ঠুতা সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করায় আমরা দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক করে আসছি যে, বাংলাদেশ সরকারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা উচিত নয়। একই ধরনের উদ্বেগ ব্যক্ত করছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা।তারা সুষ্ঠু বিচারের আন্তর্জাতিক মান সুরক্ষা না হওয়া এবং বিচারে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করায় মৃত্যুদণ্ড বন্ধ রাখার আহ্বান রাখছেন। কেননা ইন্টারন্যাশনাল সিভিল অ্যান্ড পলিটিক্যাল রাইটসে বাংলাদেশ সই করেছে। মুখপাত্র বলেন, যে কোনো পরিস্থিতিতেই মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করে জাতিসংঘ। এমনকি এটি যদি সবচেয়ে গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধও হয় তবুও মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ। আমরা বাংলাদেশের প্রতি মৃত্যুদণ্ড বাতিলে তাই আমাদের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করছি।

Share!
ট্যাগ :
সম্পাদকঃ টি·এ·কে আজাদ।


জনপ্রিয় সংবাদ

স্বচ্ছ,গতিশীলও জনমুখী বিচার ব্যবস্থা হয়েছে :আইনমন্ত্রী

বাগমারায় আদম ব্যবসায়ীর খপ্পরে সর্বশান্ত তিনটি পরিবার

মৃত্যুদণ্ড বিলুপ্ত করতে বাংলাদেশের প্রতি জাতিসংঘের আহ্বান

প্রকাশ : ০৬:৩৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৫

জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারের মুখপাত্র রাভিনা শামদাসিনি মৃত্যুদণ্ডকে একটি অমানবিক চর্চা হিসেবে অভিহিত করে তা বিলুপ্ত করার জন্য বাংলাদেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।তিনি গতকাল এক বিবৃতিতে বলেন, রোববার সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার মাধ্যমে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেয়া দণ্ডে এ পর্যন্ত মোট চারজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হল।মুখপাত্র বলেন, ২০১০ সালে গঠনের পর থেকে ট্রাইব্যুনাল এ পর্যন্ত ১৭টি রায় দিয়েছে যার ১৫টিতে জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল পার্টির নেতাদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। তাদের সবার বিরুদ্ধেই ১৯৭১ সালে মানবতাবিরোধী, গণহত্যা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ট্রাইব্যুনালে বিচারের সুষ্ঠুতা সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করায় আমরা দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক করে আসছি যে, বাংলাদেশ সরকারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা উচিত নয়। একই ধরনের উদ্বেগ ব্যক্ত করছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা।তারা সুষ্ঠু বিচারের আন্তর্জাতিক মান সুরক্ষা না হওয়া এবং বিচারে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করায় মৃত্যুদণ্ড বন্ধ রাখার আহ্বান রাখছেন। কেননা ইন্টারন্যাশনাল সিভিল অ্যান্ড পলিটিক্যাল রাইটসে বাংলাদেশ সই করেছে। মুখপাত্র বলেন, যে কোনো পরিস্থিতিতেই মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করে জাতিসংঘ। এমনকি এটি যদি সবচেয়ে গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধও হয় তবুও মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ। আমরা বাংলাদেশের প্রতি মৃত্যুদণ্ড বাতিলে তাই আমাদের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করছি।

Share!