পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বাইবা জারিনা বলেন, তরুণদের বক্তব্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়, নীতিনির্ধারণ তখনই শক্তিশালী হয়, যখন তা প্রভাবিত মানুষের কণ্ঠকে গুরুত্ব দেয়।
অনুষ্ঠানের আকর্ষণীয় অংশ ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তাৎক্ষণিক বক্তৃতা পর্ব। সেখানে তারা সমাজে প্রচলিত লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য, সামাজিক ধ্যানধারণা এবং ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকারের নানা বাধা নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও ভাবনা তুলে ধরেন।
















