Dhaka ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ধনীর তালিকায় বাংলাদেশি তরুণ

  • প্রকাশ : ০৩:৪৬:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ তরুণ ধনীর তালিকায় বাংলাদেশের আশিক আহমেদ ২৫তম অবস্থানে রয়েছে। তিনি ‘ডেপুটি’ হিসাব রক্ষণাবেক্ষণকারী একটি সফটওয়্যারের প্রধান নির্বাহী (সিও) ও সহপ্রতিষ্ঠাতা।

দেশটির শীর্ষ তরুণ ধনীদের তালিকা প্রকাশ করেছে ব্যবসা ও অর্থ বিষয়ক দৈনিক ‘অস্ট্রেলিয়ান ফিন্যান্সিয়াল রিভিউ’। ১০৩ জনের এই তালিকায় স্থান পেয়েছে নয়জন তরুণী। আশিকের সম্পদ রয়েছে ১৪৮ মিলিয়ন ডলারের। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ এক হাজার ২৫০ কোটি টাকারও বেশি।

আশিক ১৭ বছর বয়সে বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান আশিক। এরপর মেলবোর্নের একটি ফাস্ট ফুড চেইনে কাজ শুরু করেন।

আশিক জানিয়েছেন, তিনি নিজে ঘণ্টাভিত্তিক বেতনে কাজ করতেন। তখন তিনি অনুধাবন করেন রোস্টারের ক্ষেত্রে হিসাব রাখা বেশ ঝামেলাপূর্ণ। এ ঝামেলা মালিকপক্ষ ও কর্মী উভয়ের ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। এ সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে গণিত, বিজ্ঞান ও কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠা করে ফেলেন ‘ডেপুটি’ নামের সফটওয়্যারটি। ২০০৮ সালে সফটওয়্যারটি তৈরির পর থেকে তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

আশিক বলেন, তিনি কখনোই শুধু উপার্জনের উদ্দেশ্যে কাজ করেননি। বরং শুরু থেকেই তার লক্ষ্য ছিল সমস্যার সমাধানের।

Share!
ট্যাগ :
সম্পাদকঃ টি·এ·কে আজাদ।


জনপ্রিয় সংবাদ

স্বচ্ছ,গতিশীলও জনমুখী বিচার ব্যবস্থা হয়েছে :আইনমন্ত্রী

রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলায় আজ দিনব্যাপী পাট উৎপাদনকারী চাষী প্রশিক্ষন

অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ধনীর তালিকায় বাংলাদেশি তরুণ

প্রকাশ : ০৩:৪৬:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯

অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ তরুণ ধনীর তালিকায় বাংলাদেশের আশিক আহমেদ ২৫তম অবস্থানে রয়েছে। তিনি ‘ডেপুটি’ হিসাব রক্ষণাবেক্ষণকারী একটি সফটওয়্যারের প্রধান নির্বাহী (সিও) ও সহপ্রতিষ্ঠাতা।

দেশটির শীর্ষ তরুণ ধনীদের তালিকা প্রকাশ করেছে ব্যবসা ও অর্থ বিষয়ক দৈনিক ‘অস্ট্রেলিয়ান ফিন্যান্সিয়াল রিভিউ’। ১০৩ জনের এই তালিকায় স্থান পেয়েছে নয়জন তরুণী। আশিকের সম্পদ রয়েছে ১৪৮ মিলিয়ন ডলারের। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ এক হাজার ২৫০ কোটি টাকারও বেশি।

আশিক ১৭ বছর বয়সে বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান আশিক। এরপর মেলবোর্নের একটি ফাস্ট ফুড চেইনে কাজ শুরু করেন।

আশিক জানিয়েছেন, তিনি নিজে ঘণ্টাভিত্তিক বেতনে কাজ করতেন। তখন তিনি অনুধাবন করেন রোস্টারের ক্ষেত্রে হিসাব রাখা বেশ ঝামেলাপূর্ণ। এ ঝামেলা মালিকপক্ষ ও কর্মী উভয়ের ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। এ সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে গণিত, বিজ্ঞান ও কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠা করে ফেলেন ‘ডেপুটি’ নামের সফটওয়্যারটি। ২০০৮ সালে সফটওয়্যারটি তৈরির পর থেকে তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

আশিক বলেন, তিনি কখনোই শুধু উপার্জনের উদ্দেশ্যে কাজ করেননি। বরং শুরু থেকেই তার লক্ষ্য ছিল সমস্যার সমাধানের।

Share!