Dhaka ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ রেলওয়ে ইঞ্জিন কিনতে চায় রেল কর্তারা, ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন পিইসির

  • প্রকাশ : ০২:১২:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

মোঃ জিল্লুর রহমান: লোকোমোটিভের (ইঞ্জিন) সংখ্যা ২৯৬টি (১৬৮টি মিটারগেজ এবং ১২৮টি ব্রডগেজ)। মেকানিক্যাল কোড এবং ডিজাইন স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী একটি লোকোমোটিভের অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল ২০ বছর। কিন্তু রেলওয়ে ১১৮টি (৭০ শতাংশ) মিটারগেজ ইঞ্জিনের আয়ুষ্কাল পেরিয়ে গেছে।
রেলওয়ের প্রকল্প প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, এসব পুরনো ইঞ্জিনের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়বহুল এবং নির্ভরযোগ্যতা কম। বাংলাদেশ রেলওয়ের মিটারগেজ সেকশনে সুষ্ঠু ট্রেন পরিচালনা বাড়ানো এবং দ্রুত বর্ধনশীল মালবাহী ও আন্তঃনগর যাত্রীবাহী ট্রাফিকের চাহিদা মেটানোর জন্য প্রস্তাবিত ৩০টি মিটারগেজ ইঞ্জিন সংগ্রহ করা প্রয়োজন। বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ে ইঞ্জিন বহরের স্বল্পতার কারণে ট্রেন পরিচালনার ক্ষেত্রে নানামুখী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। একই সঙ্গে এগুলোর পারফরম্যান্স বিবেচনায় ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভগুলো ৩০ বছর পরিষেবা দেওয়ার পর প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়। এ বিবেচনায় ৩০ বছরের বেশি আয়ুষ্কাল উত্তীর্ণ এমন ৭৯টি এমজি লোকোমোটিভ (মোট এমজি লোকোমোটিভের ৪৮ শতাংশ) দ্রুত প্রতিস্থাপন করা দরকার। কারণ, এসব ইঞ্জিনের খুচরা যন্ত্রাংশ সংগ্রহ বেশ কঠিন এবং খুবই ব্যয়বহুল।

রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে সরকারি খাতে বাজেটের সীমাবদ্ধতা এবং অপর্যাপ্ত বৈদেশিক সাহায্য বা ঋণের কারণে পুরনো ইঞ্জিনগুলো প্রতিস্থাপন করা কঠিন। বাংলাদেশ রেলওয়ে গত পাঁচ বছরে ৩০টি মিটারগেজ ইঞ্জিন সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে এডিবির ঋণের বিপরীতে ১০টি এবং কোরিয়ার ইডিসিএফ ঋণের বিপরীতে ২০টি কিনেছে। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ২০৪৫ সালের মধ্যে মিটারগেজ লাইনকে ডুয়েলগেজে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সারা দেশ রেলওয়েকে ডুয়েলগেজে রূপান্তর সম্ভব নয়। এ অবস্থায় ২০৫৫-৬০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ রেলওয়েকে মিটারগেজ ট্রেন পরিচালনা করতে হবে।

Share!
ট্যাগ :
সম্পাদকঃ টি·এ·কে আজাদ।


জনপ্রিয় সংবাদ

স্বচ্ছ,গতিশীলও জনমুখী বিচার ব্যবস্থা হয়েছে :আইনমন্ত্রী

বড় রদবদল ডিমএমপিতে

বাংলাদেশ রেলওয়ে ইঞ্জিন কিনতে চায় রেল কর্তারা, ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন পিইসির

প্রকাশ : ০২:১২:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

মোঃ জিল্লুর রহমান: লোকোমোটিভের (ইঞ্জিন) সংখ্যা ২৯৬টি (১৬৮টি মিটারগেজ এবং ১২৮টি ব্রডগেজ)। মেকানিক্যাল কোড এবং ডিজাইন স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী একটি লোকোমোটিভের অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল ২০ বছর। কিন্তু রেলওয়ে ১১৮টি (৭০ শতাংশ) মিটারগেজ ইঞ্জিনের আয়ুষ্কাল পেরিয়ে গেছে।
রেলওয়ের প্রকল্প প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, এসব পুরনো ইঞ্জিনের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়বহুল এবং নির্ভরযোগ্যতা কম। বাংলাদেশ রেলওয়ের মিটারগেজ সেকশনে সুষ্ঠু ট্রেন পরিচালনা বাড়ানো এবং দ্রুত বর্ধনশীল মালবাহী ও আন্তঃনগর যাত্রীবাহী ট্রাফিকের চাহিদা মেটানোর জন্য প্রস্তাবিত ৩০টি মিটারগেজ ইঞ্জিন সংগ্রহ করা প্রয়োজন। বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ে ইঞ্জিন বহরের স্বল্পতার কারণে ট্রেন পরিচালনার ক্ষেত্রে নানামুখী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। একই সঙ্গে এগুলোর পারফরম্যান্স বিবেচনায় ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভগুলো ৩০ বছর পরিষেবা দেওয়ার পর প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়। এ বিবেচনায় ৩০ বছরের বেশি আয়ুষ্কাল উত্তীর্ণ এমন ৭৯টি এমজি লোকোমোটিভ (মোট এমজি লোকোমোটিভের ৪৮ শতাংশ) দ্রুত প্রতিস্থাপন করা দরকার। কারণ, এসব ইঞ্জিনের খুচরা যন্ত্রাংশ সংগ্রহ বেশ কঠিন এবং খুবই ব্যয়বহুল।

রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে সরকারি খাতে বাজেটের সীমাবদ্ধতা এবং অপর্যাপ্ত বৈদেশিক সাহায্য বা ঋণের কারণে পুরনো ইঞ্জিনগুলো প্রতিস্থাপন করা কঠিন। বাংলাদেশ রেলওয়ে গত পাঁচ বছরে ৩০টি মিটারগেজ ইঞ্জিন সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে এডিবির ঋণের বিপরীতে ১০টি এবং কোরিয়ার ইডিসিএফ ঋণের বিপরীতে ২০টি কিনেছে। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ২০৪৫ সালের মধ্যে মিটারগেজ লাইনকে ডুয়েলগেজে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সারা দেশ রেলওয়েকে ডুয়েলগেজে রূপান্তর সম্ভব নয়। এ অবস্থায় ২০৫৫-৬০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ রেলওয়েকে মিটারগেজ ট্রেন পরিচালনা করতে হবে।

Share!