শেখ জাহিদ বিন আজিমঃ- প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেছেন, ফারাক্কা নামের একটা বাঁধ আমাদের নদীগুলোকে হত্যা করেছে। আমাদের নদীগুলোকে শেষ করে দিয়েছে। আমাদের জীববৈচিত্র্য, কৃষি এখন হুমকির মুখে।
মনির হায়দার বলেন, ১৯৭৬ সালের ১৬ মে ফারাক্কা অভিমুখে লংমার্চ হয়েছিল। আমাদের এই ফারাক্কার ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার জন্য, এই ক্ষতি থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করার জন্য বিকল্প পদক্ষেপ লাগবে। সেই বিকল্প পদক্ষেপ হচ্ছে রাজবাড়ীর পাংশার হাবাসপুরে পদ্মা ব্যারাজ। আমরা অচিরেই এই অঞ্চলের নেতা আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মের নেতৃত্বে হাবাসপুর অভিমুখে লংমার্চ করবো। ফারাক্কা লংমার্চের বহু বছর পর আমরা এমন এক লংমার্চ করবো যেখানে সমগ্র অঞ্চলের লাখো মানুষ থাকবে। এই লংমার্চের মাধ্যমে আমরা রাষ্ট্রকে বাধ্য করবো আমাদের এই মহাবিপদ পানির সমস্যার হাত থেকে রক্ষা করতে।
সেমিনারে পদ্মা ব্যারাজ ও দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটি রাজবাড়ী জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক (অবঃ) সালাম তাসিরের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে পদ্মা ব্যারাজ ও দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটির সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, কমিটির উপদেষ্টা ও ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম মতিউর রহমান (অব.), সাবেক রাষ্ট্রদূত ও পদ্মা ব্যারাজ ও দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটির সদস্য খোন্দকার আব্দুস সাত্তার, জাতীয় কমিটির মহাসচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু ওহাব মোঃ হাফিজুল হক (অব.), কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মোহসীন (অব.), জাতীয় কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জালাল, সাংবাদিক ও পদ্মা ব্যারেজ ও দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য মেহেদী হাসান পলাশ, কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খোকন প্রমুখ বক্তব্য দেন।
সেমিনারে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক মহাপরিচালক ও পদ্মা ব্যারাজ ও দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটির ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য প্রকৌশলী মো. মাহফুজুর রহমান।
সেমিনারে দ্বিতীয় সেশনে ‘দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ও আগামীর সম্ভাবনা’ বিষয়ে উপস্থাপনা করেন পদ্মা ব্যারাজ ও দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটির ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন শামীম।
‘কেমন রাজবাড়ী চাই, আলোকিত রাজবাড়ী’ শীর্ষক অ্যানিমেশন প্রদর্শন করেন পদ্মা ব্যারাজ ও দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অর্ণব নেওয়াজ মাহমুদ হৃষিত ও সাদাত খান।



















