শেখ জাহিদ বিন আজিমঃ- রাজবাড়ীর মহাসড়ক এখন অবৈধ যানবাহনের অভয়ারণ্য। কাগজে-কলমে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বাস্তবে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, নসিমন, করিমন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মহাসড়কের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্ত। দ্রুতগতির বাস-ট্রাকের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলা এসব দুর্বল যানবাহনে মাঝে মধ্যেই ঘটছে দুর্ঘটনা।
গত মাসে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের কল্যাণপুর ও আলিপুর এলাকায় পৃথক দুর্ঘটনা শুধু নসিমান চাপায় নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন।
বিআরটিএ রাজবাড়ী সার্কেলের তথ্য অনুযায়ী গত ১৭ মাসে জেলায় মোট ৭৮টি সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে। এর মধ্যে নিহত হয়েছেন ৫২ জন এবং আহত হয়েছেন ৭৫ জন। আহত ৭৫ জনের মধ্যে অনেকেই পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। বেশিরভাগ সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক, অটোরিকশা ও অবৈধ মাহেন্দ্র দ্বারা সংগঠিত হয়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ীতে তাদের ৪৫ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়ক রয়েছে। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ মোড়ে থেকে পাংশা উপজেলায় শেয়ালডাঙ্গী পর্যন্ত ৪৫ কিলোমিটার, গোয়ালন্দ মোড় থেকে বসন্তপুর পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার ও গোয়ালন্দ মোড় থেকে দৌলতদিয়া পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার মহাসড়ক রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মহাসড়কের অনেক স্থানই দখল করে আছে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও মাহিন্দ্র। সংযোগ সড়কগুলোতে রয়েছে একাধিক অবৈধ স্ট্যান্ড। সেখানে এলোমেলোভাবে পার্ক করা হয়েছে শত শত যান। মহাসড়কের রাস্তা ইজারা দেওয়ার ঘটনার তথ্য উঠে এসেছে সরেজমিনে সংগ্রহ করা প্রতিবেদনে। মহাসড়কে গোয়ালন্দ মোড়, গোয়ালন্দ বাসস্ট্যান্ড, দৌলতদিয়া ফেরিঘাট, চন্দনী বাসট্যান্ড, পাংশা আজিজ সরদার বাসস্ট্যান্ডে রয়েছে এসব অবৈধ যানের স্ট্যান্ড। এ ছাড়া, রাজবাড়ী শহরের বড়পুল ও রেলগেট এলাকায় রয়েছে অস্থায়ী স্ট্যান্ড।



















