Dhaka ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিন্তিত মৌলভীবাজারের ধান চাষিরা

  • প্রকাশ : ০৮:৪৬:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ ডিসেম্বর ২০১৫
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

মৌলভীবাজারের মাঠে মাঠে এখন আমন কাটার ধুম। ভাল ফলনে কৃষকের মুখেও তৃপ্তির হাসি। তবে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় দুশ্চিন্তা পিছু ছাড়েনি তাদের। কৃষকরা বলছেন, স্থানীয় বাজারে এখন মন প্রতি ধানের যে দাম ধরা হয়েছে, তাতে লাভ তো দূরের কথা, ভারী হবে লোকসানের পাল্লা।

অগ্রহায়ণ মাসের প্রথম থেকেই মৌলভীবাজারের মাঠে মাঠে শুরু হয়েছে আমন ধান কাটার ধুম।

ভাল ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে লেগে আছে হাসি। এ বছর  ধানের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করছেন কৃষকরা। কিন্তু সেই সাথে তাদের মনে পড়েছে দুশ্চিন্তার ছায়া। তাদের দাবি, স্থানীয় বাজারে ধানের মন প্রতি দাম ধরা হয়েছে চারশ থেকে পাঁচশ টাকা। যেখানে উৎপাদনের বিভিন্ন খাতে খরচ করে, প্রতি মনে লোকসান গুনতে হচ্ছে একশত টাকার মতো।

প্রান্তিক এসব কৃষকদের বাঁচাতে ধান উৎপাদন ব্যয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে, আগামীত ন্যায্যমূল্য নির্ধারণের জন্য সরকারের প্রতি আহবান করেছে, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসেবে মতে, এ বছর জেলায় প্রায় ৯৮ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদ হয়েছে। এর বিপরীতে চালের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, প্রায় আড়াই লাখ মেট্রিক টন।

Share!
ট্যাগ :
সম্পাদকঃ টি·এ·কে আজাদ।


জনপ্রিয় সংবাদ

স্বচ্ছ,গতিশীলও জনমুখী বিচার ব্যবস্থা হয়েছে :আইনমন্ত্রী

রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলায় আজ দিনব্যাপী পাট উৎপাদনকারী চাষী প্রশিক্ষন

চিন্তিত মৌলভীবাজারের ধান চাষিরা

প্রকাশ : ০৮:৪৬:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ ডিসেম্বর ২০১৫

মৌলভীবাজারের মাঠে মাঠে এখন আমন কাটার ধুম। ভাল ফলনে কৃষকের মুখেও তৃপ্তির হাসি। তবে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় দুশ্চিন্তা পিছু ছাড়েনি তাদের। কৃষকরা বলছেন, স্থানীয় বাজারে এখন মন প্রতি ধানের যে দাম ধরা হয়েছে, তাতে লাভ তো দূরের কথা, ভারী হবে লোকসানের পাল্লা।

অগ্রহায়ণ মাসের প্রথম থেকেই মৌলভীবাজারের মাঠে মাঠে শুরু হয়েছে আমন ধান কাটার ধুম।

ভাল ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে লেগে আছে হাসি। এ বছর  ধানের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করছেন কৃষকরা। কিন্তু সেই সাথে তাদের মনে পড়েছে দুশ্চিন্তার ছায়া। তাদের দাবি, স্থানীয় বাজারে ধানের মন প্রতি দাম ধরা হয়েছে চারশ থেকে পাঁচশ টাকা। যেখানে উৎপাদনের বিভিন্ন খাতে খরচ করে, প্রতি মনে লোকসান গুনতে হচ্ছে একশত টাকার মতো।

প্রান্তিক এসব কৃষকদের বাঁচাতে ধান উৎপাদন ব্যয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে, আগামীত ন্যায্যমূল্য নির্ধারণের জন্য সরকারের প্রতি আহবান করেছে, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসেবে মতে, এ বছর জেলায় প্রায় ৯৮ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদ হয়েছে। এর বিপরীতে চালের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, প্রায় আড়াই লাখ মেট্রিক টন।

Share!