Dhaka ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারের হিমছড়ি থেকে দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীর লাশ উদ্ধার

  • প্রকাশ : ০৭:১০:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৫
  • ১ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের হিমছড়ি ঢালা থেকে দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে লাশ দুইটি উদ্ধার করা হয়। তারা হলেন- কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকায় বসবাসকারী মোহাম্মদ আলমের ছেলে জাহিদুল ইসলাম সিফাত (২৮) ও শহিদুল ইসলাম আরফাত (২৪)।ঈদগাঁও পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ এস.আই মিনহাজ মাহমুদ ভুইয়া জানান, স্থানিয়দের দেয়া সংবাদে ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের হিমছড়ি ঢালা থেকে দুই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছি। তবে ঘটনার কারণ সম্পর্কে জানাতে পারেনি পুলিশ।কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আসলাম হোসেন জানান, সিফাত ও আরফাত শহরের শীর্ষ সন্ত্রাসী। সিফাত-আরফাত বাহিনীর হাতে জিম্মি ছিল ৭ গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। এর মধ্যে সদর থানায় হত্যা, ডাকাতি, নারী নির্যাতনসহ সিফাতের বিরুদ্ধে ২২ টি মামলা ও আরফাতের বিরুদ্ধে ২০ টি মামলা রয়েছে।ওসি আসলাম জানান, আভ্যন্তরিণ বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে এ দুই শীর্ষ সন্তাসী গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। লাশ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

Share!
ট্যাগ :
সম্পাদকঃ টি·এ·কে আজাদ।


জনপ্রিয় সংবাদ

স্বচ্ছ,গতিশীলও জনমুখী বিচার ব্যবস্থা হয়েছে :আইনমন্ত্রী

বাগমারায় আদম ব্যবসায়ীর খপ্পরে সর্বশান্ত তিনটি পরিবার

কক্সবাজারের হিমছড়ি থেকে দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীর লাশ উদ্ধার

প্রকাশ : ০৭:১০:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৫

কক্সবাজারের ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের হিমছড়ি ঢালা থেকে দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে লাশ দুইটি উদ্ধার করা হয়। তারা হলেন- কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকায় বসবাসকারী মোহাম্মদ আলমের ছেলে জাহিদুল ইসলাম সিফাত (২৮) ও শহিদুল ইসলাম আরফাত (২৪)।ঈদগাঁও পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ এস.আই মিনহাজ মাহমুদ ভুইয়া জানান, স্থানিয়দের দেয়া সংবাদে ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের হিমছড়ি ঢালা থেকে দুই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছি। তবে ঘটনার কারণ সম্পর্কে জানাতে পারেনি পুলিশ।কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আসলাম হোসেন জানান, সিফাত ও আরফাত শহরের শীর্ষ সন্ত্রাসী। সিফাত-আরফাত বাহিনীর হাতে জিম্মি ছিল ৭ গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। এর মধ্যে সদর থানায় হত্যা, ডাকাতি, নারী নির্যাতনসহ সিফাতের বিরুদ্ধে ২২ টি মামলা ও আরফাতের বিরুদ্ধে ২০ টি মামলা রয়েছে।ওসি আসলাম জানান, আভ্যন্তরিণ বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে এ দুই শীর্ষ সন্তাসী গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। লাশ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

Share!