Dhaka ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজবাড়ীতে আদালতের নির্দেশে সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ- আ.লীগের সেক্রেটারি কাজী ইরাদতের

  • প্রকাশ : ০১:২৯:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

শেখ জাহিদ বিন আজিমঃ-  রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলী এবং তার পরিবারের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার সব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজবাড়ীর সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আনিসুর রহমান এ আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) বিজন কুমার বোস এই আদেশের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা তার আবেদনে উল্লেখ করেন যে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কাজী ইরাদত আলী নিজের নামে এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে ৫২ কোটি ৩৩ লাখ ২৭ হাজার ৫৫৭ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পত্তি, বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ৯ কোটি ৬৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৬ টাকার স্থিতি, ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র এবং গাড়ি ক্রয়ে ব্যয় করা ২ কোটি ২০ লাখ ৭৮ হাজার টাকা- মোট ৬৫ কোটি ৬৫ লাখ ৫৫ হাজার ৮৬৩ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অবৈধভাবে অর্জন করে নিজের দখলে রেখেছেন। তিনি জানান, দুদকের অনুসন্ধান শুরু হওয়ার পর অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এসব হিসাব নগদায়ন ও স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চেষ্টা করেছেন। তাই আদালতের অনুমোদন ছাড়া এই সম্পত্তি অন্যত্র হস্তান্তর বা বেহাত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এই অভিযোগের ভিত্তিতে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় কাজী ইরাদত আলী ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা অপরাধসংশ্লিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করার আবেদন করেন দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট বিজন কুমার বোস এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা মোস্তাফিজ।
Share!
ট্যাগ :
সম্পাদকঃ টি·এ·কে আজাদ।


জনপ্রিয় সংবাদ

স্বচ্ছ,গতিশীলও জনমুখী বিচার ব্যবস্থা হয়েছে :আইনমন্ত্রী

বাগমারায় আদম ব্যবসায়ীর খপ্পরে সর্বশান্ত তিনটি পরিবার

রাজবাড়ীতে আদালতের নির্দেশে সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ- আ.লীগের সেক্রেটারি কাজী ইরাদতের

প্রকাশ : ০১:২৯:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

শেখ জাহিদ বিন আজিমঃ-  রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলী এবং তার পরিবারের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার সব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজবাড়ীর সিনিয়র স্পেশাল জজ মোহাম্মদ আনিসুর রহমান এ আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) বিজন কুমার বোস এই আদেশের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা তার আবেদনে উল্লেখ করেন যে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কাজী ইরাদত আলী নিজের নামে এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে ৫২ কোটি ৩৩ লাখ ২৭ হাজার ৫৫৭ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পত্তি, বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ৯ কোটি ৬৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৬ টাকার স্থিতি, ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র এবং গাড়ি ক্রয়ে ব্যয় করা ২ কোটি ২০ লাখ ৭৮ হাজার টাকা- মোট ৬৫ কোটি ৬৫ লাখ ৫৫ হাজার ৮৬৩ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অবৈধভাবে অর্জন করে নিজের দখলে রেখেছেন। তিনি জানান, দুদকের অনুসন্ধান শুরু হওয়ার পর অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এসব হিসাব নগদায়ন ও স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চেষ্টা করেছেন। তাই আদালতের অনুমোদন ছাড়া এই সম্পত্তি অন্যত্র হস্তান্তর বা বেহাত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এই অভিযোগের ভিত্তিতে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় কাজী ইরাদত আলী ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা অপরাধসংশ্লিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করার আবেদন করেন দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট বিজন কুমার বোস এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা মোস্তাফিজ।
Share!