Dhaka ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেট্রোরেল প্রকল্পের ব্যয় তৃতীয়বারের মতো সংশোধন করা হচ্ছে, ব্যয় কমছে ৭৫৫ কোটি টাকা

  • প্রকাশ : ০১:২৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

মোঃ জিল্লুর রহমান:   দেশের প্রথম মেট্রোরেল (এমআরটি-৬) প্রকল্পের ব্যয় তৃতীয়বারের মতো সংশোধন করা হচ্ছে। আগামীকাল একনেক সভায় এই তৃতীয় সংশোধিত প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য তোলা হবে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রকল্পের মোট ব্যয় ৩৩,৪৭২ কোটি টাকা থেকে কমে দাঁড়াচ্ছে ৩২,৭১৭ কোটি টাকায়, অর্থাৎ কমছে প্রায় ৭৫৫ কোটি টাকা।

প্রস্তাবে জানানো হয়েছে, সরকারি অর্থায়নে ব্যয় কমবে ১,২৩২ কোটি টাকা। অতিরিক্ত জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন না হওয়ায় বিজয় সরণি, ফার্মগেট, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও মতিঝিল স্টেশন এলাকায় ৩.৫৬ হেক্টর জমি কম অধিগ্রহণ করতে হয়েছে। এতে সাশ্রয় হয়েছে প্রায় ১,২১২ কোটি টাকা। তবে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে বিদেশি ঋণের অংশে ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে ৪৭৭ কোটি টাকা, যার মধ্যে ঋণ পরিশোধ খাতে বাড়ছে ২৭০ কোটি টাকা। পরামর্শক খরচও কিছুটা বেড়েছে।প্রকল্পের মেয়াদ তিন বছর বাড়িয়ে ডিসেম্বর ২০২৮ পর্যন্ত নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ২০.১ কিলোমিটারের উত্তরা-মতিঝিল অংশ চালু হয়েছে, আর ১.১৬ কিলোমিটারের মতিঝিল-কামালাপুর অংশে কাজ চলছে। জুন ২০২৫ পর্যন্ত উত্তরা-মতিঝিল অংশের অগ্রগতি ৯৯.৪০ শতাংশ এবং মতিঝিল-কামালাপুর অংশের অগ্রগতি ৬৩.১৫ শতাংশ বলে জানানো হয়েছে।

২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে একনেকে প্রথম অনুমোদনের সময় প্রকল্প ব্যয় ছিল ২১,৯৮৫ কোটি টাকা, যেখানে জাইকা ঋণ দিয়েছিল ১৬,৫৯৪ কোটি টাকা। পরে কামালাপুর পর্যন্ত লাইন সম্প্রসারণের ফলে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৩৩,৪৭২ কোটি টাকা। তৃতীয় সংশোধনীতে ব্যয় কমলেও প্রকল্পের মেয়াদ ও বিদেশি ঋণের অংশ বেড়েছে।

Share!
ট্যাগ :
সম্পাদকঃ টি·এ·কে আজাদ।


জনপ্রিয় সংবাদ

স্বচ্ছ,গতিশীলও জনমুখী বিচার ব্যবস্থা হয়েছে :আইনমন্ত্রী

বাগমারায় আদম ব্যবসায়ীর খপ্পরে সর্বশান্ত তিনটি পরিবার

মেট্রোরেল প্রকল্পের ব্যয় তৃতীয়বারের মতো সংশোধন করা হচ্ছে, ব্যয় কমছে ৭৫৫ কোটি টাকা

প্রকাশ : ০১:২৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

মোঃ জিল্লুর রহমান:   দেশের প্রথম মেট্রোরেল (এমআরটি-৬) প্রকল্পের ব্যয় তৃতীয়বারের মতো সংশোধন করা হচ্ছে। আগামীকাল একনেক সভায় এই তৃতীয় সংশোধিত প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য তোলা হবে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রকল্পের মোট ব্যয় ৩৩,৪৭২ কোটি টাকা থেকে কমে দাঁড়াচ্ছে ৩২,৭১৭ কোটি টাকায়, অর্থাৎ কমছে প্রায় ৭৫৫ কোটি টাকা।

প্রস্তাবে জানানো হয়েছে, সরকারি অর্থায়নে ব্যয় কমবে ১,২৩২ কোটি টাকা। অতিরিক্ত জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন না হওয়ায় বিজয় সরণি, ফার্মগেট, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও মতিঝিল স্টেশন এলাকায় ৩.৫৬ হেক্টর জমি কম অধিগ্রহণ করতে হয়েছে। এতে সাশ্রয় হয়েছে প্রায় ১,২১২ কোটি টাকা। তবে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে বিদেশি ঋণের অংশে ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে ৪৭৭ কোটি টাকা, যার মধ্যে ঋণ পরিশোধ খাতে বাড়ছে ২৭০ কোটি টাকা। পরামর্শক খরচও কিছুটা বেড়েছে।প্রকল্পের মেয়াদ তিন বছর বাড়িয়ে ডিসেম্বর ২০২৮ পর্যন্ত নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ২০.১ কিলোমিটারের উত্তরা-মতিঝিল অংশ চালু হয়েছে, আর ১.১৬ কিলোমিটারের মতিঝিল-কামালাপুর অংশে কাজ চলছে। জুন ২০২৫ পর্যন্ত উত্তরা-মতিঝিল অংশের অগ্রগতি ৯৯.৪০ শতাংশ এবং মতিঝিল-কামালাপুর অংশের অগ্রগতি ৬৩.১৫ শতাংশ বলে জানানো হয়েছে।

২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে একনেকে প্রথম অনুমোদনের সময় প্রকল্প ব্যয় ছিল ২১,৯৮৫ কোটি টাকা, যেখানে জাইকা ঋণ দিয়েছিল ১৬,৫৯৪ কোটি টাকা। পরে কামালাপুর পর্যন্ত লাইন সম্প্রসারণের ফলে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৩৩,৪৭২ কোটি টাকা। তৃতীয় সংশোধনীতে ব্যয় কমলেও প্রকল্পের মেয়াদ ও বিদেশি ঋণের অংশ বেড়েছে।

Share!