রাজধানী সংলগ্ন কেরাণীগঞ্জ আধুনিক উপ-শহর হিসাবে উপনীত হতে যাচ্ছে শহরের ন্যায় আধুনিকতার ছাপ পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ কারণে শহরের মতো বহুতল ভবন আবাসন গড়ে উঠছে। কিন্তু কালের প্রেক্ষাপটে এক শ্রেণীর অসাধু বিত্তবানরা কোন নিয়ম–নীত তোয়াক্কা না করে অবৈধ ভাবে রাজউক থেকে নকশা অনুমোদন না নিয়ে একের পর এক অবৈধ বহুতল ভবন নির্মাণ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তৈরী করে যাচ্ছেন ভবন। তার নজির জমজম টাওয়ার, যার মালিক আলমগীর গং।
এ ব্যাপারে রাজউক অঞ্চল ভিত্তিক কর্ম–কর্তা হিসাবে দায়িত্বরত সৎ, সাহসী ও নির্ভিক অথরাইজড অফিসার মোঃ ইলিয়াস সারেজমিনে তদন্ত কালে যাবতীয় কাগজ–পত্র জমজম টাওয়ারের মালিক আলমগীর গং কে দেখাতে বলা হলে তারা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই সব শেষে গত ২৯ অক্টোবর ২০২৫ ইং তারিখে জমজম টাওয়ার ভবনের মালিক আলমগীর গং বরাবর নির্মাণকারী ইমারত নির্মাণ আইন ১৯৫২ এর ধারা মোতাবেক কাজ বন্ধ করার জন্য পত্র ইস্যু করেছেন। রাজউক কর্মকর্তা, উপ-পুলিশ কমিশনার ও কেরাণীগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর জমজম টাওয়ারের কাজ বন্ধ করার জন্য চিঠি ইস্যু করেছেন। কেরাণীগঞ্জ থানা জমজম টাওয়ারের কাজ বন্ধ করবে বলে বিজ্ঞ মহল মনে করেন। দেশের ও রাজউক এর নিয়ম কানুন উপেক্ষা করে অসংখ্যক নির্মাণ শ্রমিক নিয়ে রাত–দিন জমজম টাওয়ার ভবন উর্ধ্বমূখী কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। জমজম টাওয়ারের মালিক আলমগীর গং কোন ক্ষমতা বলে ভবন নির্মাণ করছেন তাহার দিকে প্রশাসনের এক্ষুনি নজর দেওয়া দরকার এবং অবৈধ ভবনের কাজ বন্ধ করে দেওয়া একান্ত জরুরী।



















