Dhaka ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বহালে আশ্বাস অর্থমন্ত্রীর

  • প্রকাশ : ০৭:০০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০১৫
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বহালের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বিষয়ে আরও আলাপ-আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। বিষয়টি আমরা বিবেচনা করব।বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রকৌশলী-কৃষিবিদ-চিকিৎসক (প্রকৃচি) ও বিসিএস সমন্বয় কমিটির সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ কথা বলেন।বৈঠকে প্রকৃচির আহ্বায়ক ও কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) সভাপতি আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম উপস্থিত ছিলেন।মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত অষ্টম বেতন কাঠামোতে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিল করার পর সরকারি কর্মচারীরা তা বহাল রাখার দাবি জানিয়ে আসছেন।অর্থমন্ত্রী বলেন, পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী বাতিল করেছিলাম। এখন সবার সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি বিবেচনা করব।তিনি বলেন, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বিষয়ে আরও আলাপ-আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। এ বিষয়ে একটি সন্তোষজনক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নিয়েছে।আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, বিষয়টি তিনি একা করেন না। বাইরের সবার সঙ্গে আলোচনা শেষ। এখন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করব।তাহলে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বিষয়ে অনমনীয় অবস্থান থেকে সরকার সরে এসেছে- এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, কোনো সময়ই আমরা অনমনীয় অবস্থানে ছিলাম না।অর্থমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বহাল রাখার ইঙ্গিত মিলল বলে বৈঠকে অংশ নেয়াদের মধ্যে অনেকেই জানান।প্রকৃচির আহ্বায়ক ও কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) সভাপতি আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বৈঠকে বলেন, নতুন বেতনকাঠামো থেকে সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বাতিলের যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, সেটা সরকারের জন্য কোনো ভালো সিদ্ধান্ত হয়নি। বেতনও বাড়িয়ে দিলেন অথচ কেউ খুশি হলো না।তিনি বলেন, প্রতি বছর ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট বাড়ানোর মাধ্যমে সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বাতিলের ক্ষতি পোষানোর যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তা সরকারি চাকরিজীবীদের মনে হতাশা সৃষ্টি করবে।

Share!
ট্যাগ :
সম্পাদকঃ টি·এ·কে আজাদ।


জনপ্রিয় সংবাদ

স্বচ্ছ,গতিশীলও জনমুখী বিচার ব্যবস্থা হয়েছে :আইনমন্ত্রী

এনসিপিকে আমার পছন্দ কারণ এটা ব্লুমিং পলিটিক্যাল পার্টি : মোনামি

টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বহালে আশ্বাস অর্থমন্ত্রীর

প্রকাশ : ০৭:০০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০১৫

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বহালের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বিষয়ে আরও আলাপ-আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। বিষয়টি আমরা বিবেচনা করব।বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রকৌশলী-কৃষিবিদ-চিকিৎসক (প্রকৃচি) ও বিসিএস সমন্বয় কমিটির সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ কথা বলেন।বৈঠকে প্রকৃচির আহ্বায়ক ও কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) সভাপতি আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম উপস্থিত ছিলেন।মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত অষ্টম বেতন কাঠামোতে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিল করার পর সরকারি কর্মচারীরা তা বহাল রাখার দাবি জানিয়ে আসছেন।অর্থমন্ত্রী বলেন, পে-স্কেলের সুপারিশ অনুযায়ী বাতিল করেছিলাম। এখন সবার সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি বিবেচনা করব।তিনি বলেন, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বিষয়ে আরও আলাপ-আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। এ বিষয়ে একটি সন্তোষজনক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নিয়েছে।আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, বিষয়টি তিনি একা করেন না। বাইরের সবার সঙ্গে আলোচনা শেষ। এখন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করব।তাহলে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বিষয়ে অনমনীয় অবস্থান থেকে সরকার সরে এসেছে- এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, কোনো সময়ই আমরা অনমনীয় অবস্থানে ছিলাম না।অর্থমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বহাল রাখার ইঙ্গিত মিলল বলে বৈঠকে অংশ নেয়াদের মধ্যে অনেকেই জানান।প্রকৃচির আহ্বায়ক ও কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) সভাপতি আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বৈঠকে বলেন, নতুন বেতনকাঠামো থেকে সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বাতিলের যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, সেটা সরকারের জন্য কোনো ভালো সিদ্ধান্ত হয়নি। বেতনও বাড়িয়ে দিলেন অথচ কেউ খুশি হলো না।তিনি বলেন, প্রতি বছর ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট বাড়ানোর মাধ্যমে সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বাতিলের ক্ষতি পোষানোর যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তা সরকারি চাকরিজীবীদের মনে হতাশা সৃষ্টি করবে।

Share!