Dhaka ০৮:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নতুন বইয়ে নানা ত্রুটি

  • প্রকাশ : ০৭:২৫:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০১৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

প্রাথমিক আর মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের হাতে হাতে পৌঁছে গেছে বিনামূল্যের বই। তবে চট্টগ্রামে বিতরণ করা বেশকিছু বইয়ে রয়ে গেছে মুদ্রণ ত্রুটি।

দেখা গেছে, কোনো কোনো বই ছাপা হয়েছে অসম্পূর্ণভাবে। কোনটির ভেতরে রয়েছে অন্য বইয়ের লেখা। আবার কোনটি থেকে বাদ পড়েছে প্রয়োজনীয় লেখা। এসব বই নিয়ে এখন বিপাকে শিক্ষার্থীরা।

নতুন বই নিয়ে কোমলমতি শিশুদের এ আনন্দ বছরের প্রথমদিনের। তবে দিন কয়েক যেতেই ফিকে হচ্ছে সে আনন্দ। কারণ, ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে এসব বইয়ের মুদ্রণ ত্রুটি।

এই যেমন, প্রাথমিকের চতুর্থ শ্রেণির বিজ্ঞান বই। তাতে দশম পৃষ্ঠা পর্যন্ত ঠিকঠাক থাকলেও একাদশ পৃষ্ঠা থেকে বইয়ের বাকি অংশে ঢুকে পড়েছে বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইটি।

সমস্যা মাধ্যমিকেও। ৮ম শ্রেণির ব্যাকরণ ও নির্মিতি বইয়ের ৩২ থেকে ৬০ পৃষ্ঠা জুড়ে ছাপা হয়েছে চারুকারু। এছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণির বইয়ে রয়েছে ছাপার ভুল, লেখার খন্ডাংশ আর অস্পষ্টতা।

প্রাথমিকে চট্টগ্রাম বিভাগে এবার বই সরবরাহ করা হচ্ছে প্রায় ২ কোটি ১১ লাখ। আর মাধ্যমিকে ১ কোটি ২৪ লাখ ১৮ হাজার। শিক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, যেসব বইয়ে ভুল রয়েছে তা দূর করার ব্যবস্থা রয়েছে।

তবে আশ্বাস যাই মিলুক, ভুলে ভরা এসব বই নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবক আর শিক্ষার্থীরা।

জানুয়ারির মধ্যেই এসব ভুলের সুরাহা চান অভিভাবকরা। না হলে শিক্ষার্থীদের প্রথম সাময়িক তথা চূড়ান্ত পরীক্ষার ফলাফলে এর জের টানতে হবে বলে আশংকা তাদের।

Share!
ট্যাগ :
সম্পাদকঃ টি·এ·কে আজাদ।


জনপ্রিয় সংবাদ

স্বচ্ছ,গতিশীলও জনমুখী বিচার ব্যবস্থা হয়েছে :আইনমন্ত্রী

বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে সরকার

নতুন বইয়ে নানা ত্রুটি

প্রকাশ : ০৭:২৫:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০১৬

প্রাথমিক আর মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের হাতে হাতে পৌঁছে গেছে বিনামূল্যের বই। তবে চট্টগ্রামে বিতরণ করা বেশকিছু বইয়ে রয়ে গেছে মুদ্রণ ত্রুটি।

দেখা গেছে, কোনো কোনো বই ছাপা হয়েছে অসম্পূর্ণভাবে। কোনটির ভেতরে রয়েছে অন্য বইয়ের লেখা। আবার কোনটি থেকে বাদ পড়েছে প্রয়োজনীয় লেখা। এসব বই নিয়ে এখন বিপাকে শিক্ষার্থীরা।

নতুন বই নিয়ে কোমলমতি শিশুদের এ আনন্দ বছরের প্রথমদিনের। তবে দিন কয়েক যেতেই ফিকে হচ্ছে সে আনন্দ। কারণ, ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে এসব বইয়ের মুদ্রণ ত্রুটি।

এই যেমন, প্রাথমিকের চতুর্থ শ্রেণির বিজ্ঞান বই। তাতে দশম পৃষ্ঠা পর্যন্ত ঠিকঠাক থাকলেও একাদশ পৃষ্ঠা থেকে বইয়ের বাকি অংশে ঢুকে পড়েছে বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইটি।

সমস্যা মাধ্যমিকেও। ৮ম শ্রেণির ব্যাকরণ ও নির্মিতি বইয়ের ৩২ থেকে ৬০ পৃষ্ঠা জুড়ে ছাপা হয়েছে চারুকারু। এছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণির বইয়ে রয়েছে ছাপার ভুল, লেখার খন্ডাংশ আর অস্পষ্টতা।

প্রাথমিকে চট্টগ্রাম বিভাগে এবার বই সরবরাহ করা হচ্ছে প্রায় ২ কোটি ১১ লাখ। আর মাধ্যমিকে ১ কোটি ২৪ লাখ ১৮ হাজার। শিক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, যেসব বইয়ে ভুল রয়েছে তা দূর করার ব্যবস্থা রয়েছে।

তবে আশ্বাস যাই মিলুক, ভুলে ভরা এসব বই নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবক আর শিক্ষার্থীরা।

জানুয়ারির মধ্যেই এসব ভুলের সুরাহা চান অভিভাবকরা। না হলে শিক্ষার্থীদের প্রথম সাময়িক তথা চূড়ান্ত পরীক্ষার ফলাফলে এর জের টানতে হবে বলে আশংকা তাদের।

Share!